সুনামগঞ্জ , রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ , ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাছশূন্য হাওর, সংকটে জল-জীবিকা ব্রিটিশ-বাংলাবাজার সড়ক বেহাল : দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাউসবোটে নেই পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা পর্যটকদের উদ্বেগ বাংলাবাজার ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সমাবেশ সুনামকণ্ঠ সাহিত্য পরিষদের আড্ডা অনুষ্ঠিত ঢাকায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ অনলাইন জুয়ার ‘হটস্পট’ জাউয়াবাজার প্রতিপক্ষের সুলফির আঘাতে নিহত ১ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে আ.লীগের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ তাহিরপুরে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ ৬ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি রিভলবার জব্দ ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলে কবে থেকে কার্যকর হবে? একটি মহল চেষ্টা করছে গণতান্ত্রিক শক্তি যেন ক্ষমতায় না আসে : মির্জা ফখরুল বর্জ্যে ভুগছে টাঙ্গুয়ার হাওর হাওরের ফসল রক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত ২,২৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র বরাদ্দের অভাবে বন্ধ নির্মাণকাজ ইশতেহার তৈরি করছে বিএনপি, গোপনে চলছে প্রার্থী যাচাই

নৌকা বাইচ : ঐতিহ্যের ধারা বজায় থাকুক

  • আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৫ ০৮:০০:০৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৫ ০৮:০০:০৭ পূর্বাহ্ন
নৌকা বাইচ : ঐতিহ্যের ধারা বজায় থাকুক
বাংলার নদী ও নৌকা শুধু পরিবহনের মাধ্যম নয়, আমাদের সংস্কৃতি ও আবেগের অংশ। বর্ষার জলঢেউ, বৈঠার ছন্দ, বাঁশির সুর - এ সবই গ্রামীণ জীবনের অনন্য রঙ। কিন্তু আধুনিকতার ঢেউ, নদীর দখল-দূষণ এবং বিনোদনের শহুরে বিকল্পগুলো গ্রামবাংলার এই চিরচেনা দৃশ্যকে ক্রমেই হারিয়ে দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে দিরাই উপজেলার শ্যামারচরে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য নৌকা বাইচ আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এই আয়োজন শুধু একটি খেলাধুলার ইভেন্ট নয়, বরং হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে পুনর্জাগরণের এক প্রয়াস। আকাশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, মেঘের ছায়া, আর তবুও হাজারো মানুষের ঢল - এ দৃশ্য প্রমাণ করে, এই ঐতিহ্য এখনও মানুষের মনে গভীরভাবে গেঁথে আছে। নৌকা বাইচ শুধু বিনোদন নয়; এটি দলগত সমন্বয়, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায় ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবের প্রতীক। একইসাথে এটি একটি সামাজিক বন্ধন, যেখানে গ্রাম-শহরের ভেদাভেদ ভুলে মানুষ একসাথে আনন্দে মেতে ওঠে। এমন আয়োজন যুব সমাজকে মাদক ও অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটনেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। তবে এই উদ্যোগকে ধারাবাহিক করতে হবে। বছরে একদিন নয়, বরং মৌসুমভিত্তিক নৌকা বাইচ আয়োজন, নদী রক্ষার জন্য স্থানীয় ও সরকারি উদ্যোগ এবং গ্রামীণ ক্রীড়াকে উৎসাহিত করার নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। আমরা বিশ্বাস করি, শ্যামারচরের মতো প্রতিটি নদীপাড়ে যদি বৈঠার সুর আবারও বেজে ওঠে, তবে শুধু একটি খেলা নয়, বরং এক টুকরো হারানো বাংলা ফিরে আসবে আমাদের জীবনে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স